1
1
বিশেষ সংবাদদাতাঃ সুবিধাবাদি রাজনীতির প্রকৃষ্ট উদাহরণ হয়ে উঠল রাজ্যের প্রাক্তণ শাসক দল , তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক থেকে সাংসদেরা । দলের নির্বাচনী চরম বিপর্যয়ের পরে দলের পাশে না থেকে , যে যার মত করে একটি গোষ্ঠী বানিয়ে ফেলল । আবার নিজেদের আসল তৃণমূল পরিচয় দিয়ে সংসদ থেকে বিধানসভা , সখানে নিজেদের অস্তিত্বের প্রমাণ দিতে সই সংগ্রহ করে স্পীকারের কয়াছে জমাও দিলেন তাঁরা । শুধু তাই নয় শাসক দল বিজেপি হাত ধরে , এন ডি এ’র শরিক হবার প্রস্তাব দিলেন তাঁরা । একটা প্রশ্ন উঠতে চলেছে , কেন এই খেলা খেলল রাজ্যের তৃণমূল কংগ্রেসের জঙ্গণের দ্বারা নির্বাচিত জনপ্রতিধিরা ? কেনই বা তাঁরা দলের সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জিকে অনেকটাই দল থেকে দূরে সরিয়ে দিল ? কেনই বা দলের থেকে মমতা ব্যানার্জি ও তাঁর পরিবারকে একেবারে সরিয়ে দিল ? এছাড়াও নানা প্রশ্ন ঘুরে ফিরে আসছে এই বাংলার জগণের মনে ।
যদি একটু অন্যভাবে ভাবেন , তাহলে দেখা যাবে , এই পরিবারের গা থেকে প্রভাবশালীর তকমা ঝড়ে ফেলার একটা কৌশল এটা । আবার যদি ব্যাকা চোখে দেখেন , তাহলে এই বাংলায় যে দুর্নীতি ও অরাজকতা গয় ১৫ বছরে হয়েছে , যার কারণে জন রোষের শিকার হচ্ছেন জনপ্রতিনিধিরা , অন্য দিকে এইসব জনপ্রতিনিধিরাও কেউ ধোয়া তুলসি পাতা নন । ফলে তাঁরা এই আলাদা মঞ্চ গড়ছেন , নিজেদের সাধু বলে প্রচার করার জন্য। আর এমন একটা চাদর গায়ে চরানোর চেষ্টা করছে , যেটা হল আমরা সৎ , বাকি সব অসৎ ,এ ই অসৎ এর মধ্যমণি যুবরাজ , অভিষেক ব্যানার্জি। তাই তাঁকে ছড়ে , ব্যানার্জি পরিবারকে তাঁরা ব্রাত্যের তালিকায় ঠেলে দিয়ে এটাই প্রমাণ করতে চাইছে যে দলের সঙ্গে ব্যানার্জি পরিবারের কোন সম্পর নেই। তাই ওই পরিবারের কোন কলঙ্ক তাঁদের গায়ে নেই। রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে যে এবার নানা দুর্নীতির যে তদন্ত শুরু হয়েছে , সেই তদন্তের আওতা থেকে কেউ বাদ যাবে না । তাই সমস্ত বিধায়ক থেকে সাংসদরা চেষ্টা করছে কেন্দ্রের শাসক সরকারের সঙ্গে জুড়ে যেতে । শাসক সরকার তাঁদের রখা হবচে বর্ম পরিয়ে দেবে । আবার একদল মনে করছে যে একদিকে মমতা ব্যানার্জি কেন্দ্রের শাসক বিরোধী ইন্ডি জোটকে ম্যানেজ করবে , অন্যদিকে তথাকথিত বিপ্লবী , বিক্ষুব্ধ তৃণমূল কংগ্রেসের জনপ্রতিনিধিরা ম্যানেজ করবে ক্ষমতাসীন দেশ ও রাজ্যের শাসক দলকে । ফলে রাজ্যের প্রাক্তণ শাসক দলের এই খেলা বা চাল কি ভাবে প্রকাশ পায় কেন্দ্রের শাসক দলের কাছে , সেটার দিকেই লক্ষ্য রাখছে রাজধানীর রাজনৈতিক মহল।