Popular Posts

রাজ্যের প্রশাসনে ফিরে আসা নিয়ে কি চিন্তায় রয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো ?

Spread the love

বিশেষ সংবাদদাতাঃ ভোটের মাত্র বাকি কয়েক ঘন্টা। কিছুক্ষণের মধ্যেই শেষ হবে দ্বিতীয় দফার নির্বাচনী প্রচার । কলকাতা সহ ১৪২ টি বিধান সভা কেন্দ্রের সব কটিতেই বিজেপি’র হেভিওয়েট নেতারা প্রচারে সাইক্লোন তুলেছেন। একদিকে যখন বেহালায় সমর্থকদের মধ্যে এসে উৎসাহ দিচ্ছেন দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ, অন্যদিকে ব্যারাকপুরে দেশের প্রধানমন্ত্রী , নরেন্দ্র মোদী , অন্যদিকে কল্যানীতে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ । রাজ্যে বিজেপি’র তরফ থেকে ভরসা দেবার প্রক্রিয়া অনেকেই মনে করছেন বেশ সফল হয়েছে । ফলে রাজ্যের শাসক দল অনেকটাই বেসামাল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ফলে রাজ্যের শাসক দল এমন সব পুরোন কৌশল নিতে শুরু করেছে , যা কিনা একেবারেই কাঁচা বলে মনে করছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা । যে কৌশল সাধারণ মানুষের মনে ভয় তো জাগাচ্ছে না উল্টে বিতৃষ্ণা জাগাচ্ছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা । এবারে নির্বাচন কমিশন এতটাই অল – আউট খেলছে যে দ্বিতীয় পর্যায়েও কড়া হাতে শান্তিপুর্ণ ভাবে শেষ হবে ভোটদান । সাধারণ মানুষ তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন ।

আর যে ঘটনা গত পর্যায়ের আগে ঘটেনি , দ্বিতীয় পর্যায়ের আগে সেই ধরণের ঘটনা ঘটেই চলেছে । বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষিপ্ত ঘটনা ঘটেই চলেছে । প্রধানমন্ত্রী আসার আগের রাতে জগদ্দলে গুলিও চলেছে প্রার্থীকে লক্ষ্য করে । ঘটনাচক্রে সেই গুলি লাগে নিরাপত্তা রক্ষীর পায়ে। ফলে উত্তপ্ত পরিস্তিতির মধ্যে দিয়ে এগোচ্ছে দ্বিতীয় পর্যায়ের নির্বাচনী প্রক্রিয়া। একটি সুত্র বলছে , জায়গায় জায়গায় এই ধরণের উত্তপ্ত পরিস্তিতির সৃষ্টি দেখা দিতে পারে। ইতিমধ্যেই নানা উস্কানিতে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে উত্তর২৪ পরগণা , দক্ষিণ২৪পরগণা সমেত কলকাতা । এই পরিস্তিতি রোখার জন্য প্রস্তুত কেন্দ্রীয় বাহিনী সমেত রাজ্যের পুলিশ বাহিনী। ফলে আশা করা যায় যে আগামিকাল ঠান্ডা হয়ে যাবে সব। নির্বাচনের দিন শান্তিপুর্ণভাবে হবে ভোটদান ।

এবার আসা যাক কিভাবে সাজানো হয়েছে হাঙ্গামা সৃষ্টির ছক । একটি সুত্র বলছে , উস্কানি ও পাল্টা উস্কানিতে শুরু হবে ঝামেলা। সেই ঝামেলা ছড়িয়ে পড়বে এলাকায়। আর যে এলাকায় ঝামেলা হবে , সেখানের ভোটাররা ভোট দিতে বেরোবে না । এটা আজ রাত্রে ঘটতে পারে বলে ওই সুত্রটি বলছে । গতকাল রাত্র থেকেই বাইক বাহিনী অনেক এলাকায় বেরিয়েছে । স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী বাইকে চড়ে প্রচার করেছেন । ফলে বাতিল হয়ে যাওয়া নির্বাচন কমিশনের নির্দেশের ফলেই এই ঘটনা ঘটছে বলে জানাচ্ছে প্রশাসনের একটি সুত্র ।

দ্বিতীয় পর্যায়ের ১৪২ আসন নিয়েও বেশ চিন্তায় রয়েছে রাজ্যের শাসক দল। নইলে বারে বারে তৃণমূল সুপ্রিমোর গলায় এই কথা কেন উঠে আসবে যে সংখ্যা গরিষ্ঠতার বিষয়ে সন্দেহ রয়েছে । কেন উঠে আসবে ঘোড়া কেনা – বেচা প্রসঙ্গ ? তাহলে কি নিজের দলের প্রার্থীদের নিয়ে সন্দেহ রয়েছে ? নাকি তিনি সর্ষের মধ্যেই ভুত দেখছেন ? রাজনৈতিক মহল মনে করছে যে এবারের নির্বাচনে সেই কনফিডেন্স নেই তৃণমুল সুপ্রিমোর । ফলে একটা বিষয় পরিষ্কার যে তিনি এখন তাঁর সংগঠন নিয়েও বেশ চিন্তায় রয়েছেন ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *