1
1
বিশেষ সংবাদদাতাঃ আগামী ২৩ এপ্রিল ও ২৯ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী যুদ্ধ। দামামা বেশ জোরে জোরেই বাজছে। কার দিকে পাল্লা ভারী ? শাসক দোল , না বিরোধী দল , নাকি রাজনীতির ময়দানে শূন্য হয়ে যাওয়া দল ? কে হবে এই বাংলার আগামী শাসক ? এই বিষয় নিয়ে আলোচনা চায়ের দোকান থেকে অফিসের বড় বাবুর চেয়ার , সর্বত্র। এবারের ২০২৬ এর নির্বাচন কি সত্যিই দেখবে পাল্টিয়ে যাওয়া কোন নতুন সরকার ? নাকি একই মুখ আবার ফায়ার আসবে ? বিষয়টি এখানেই আসছে। এবারের নির্বাচন এস আই আর আবহে একেবারেই অন্য মাত্রা পেয়েছে। আর রাজ্যের বর্তমান শাসক বিরোধী সাধারণ মানুষের মনোভাব নিয়েও বিরোধী দলগুলি ময়দানে নেমেছে। ৩৪ বছরের শেষে শাসন ক্ষমতা হারানো বামেরা এই নির্বাচনে বাংলার মাটিতে তাদের অস্তিত্ব ফায়ার পাবার জন্য মরীয়া। প্রধান বিরোধী দোল বিজেপি ইতিমধ্যেই ঝাঁপিয়ে পড়েছে শাসন ক্ষমতার পালা বদলের লক্ষ্যে। ফলে শাসক তৃণমূল কংগ্রেস এবার এক কঠিন লড়াইয়ের সামনে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা নানা ভবিষ্যৎ বাণী করছেন। কিন্তু করতে মিলবে কেউ জানেনা। হয়ত মিলবে ? সেই ঝরে বক মরবে , আর ফকিরের কেরামতি বাড়বে। এবার যদি ইস্যু ভিত্তিক লড়াইয়ের কথা বলতে যাওয়া হয় , সেখানে দেখা যাবে বিরোধী সব শক্তিই শাসক পরিবর্তনে হাতিয়ার করেছে নানা দুর্নীতি , যা কিনা রাজ্যের শাসক দলের ১৫ বছরের শাসন কালে হয়েছে। শাসক দলের গঠন মূলক ইস্যু থাকলেও সেটা পাত্তা পাচ্ছে না একটিই কারণে , সেটা হল গত ১৫ বছরের শাসন ক্ষমতায় থেকেও যে উন্নতি সহজে করা যেত , সেগুলিই নতুন করে তারা বলছে। সাধারণ নির্বাককদের কাছে সেই কথা কোন আশার আলো দেখাতে পারছে না সেই বিষয়গুলি। আবার যদি উল্টো দিকে যদি দেখা যায় , সেখানেও কোন গঠন মূলক ইস্যু নেই. সেই থোড় – বড়ি – খাড়া। ফলে সাধারণ মানুষ অনেকটাই বিভ্রান্ত। বড় বড় ৱ্যালি হচ্ছে , ভিড় হচ্ছে প্রচুর। সেটা দেখে যদি কেউ মনে করেন যার ভিড় বেশি , তিনিই ক্ষমতায় আসছেন , তাহলে এবারের নির্বাচনে অনেকটাই ভুল ভাবা হবে। তাহলে কি হবে ? এবার কি তাহলে অনিশ্চয়তার ত্রিশংকু সরকার হবে পশ্চিমবঙ্গে?